সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট: চুনারুঘাট থানার এএসআই অতনু বণিকের বিরুদ্ধে মামলা সংক্রান্ত বিষয়ে ঘুষ গ্রহণের অভিযোগ উঠেছে। এ সংক্রান্ত একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়ার পর তাকে চুনারুঘাট থানা থেকে প্রত্যাহার করে হবিগঞ্জ পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত করা হয়েছে।
আজ মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) বিকেলে পুলিশ প্রশাসনের এক আদেশে তাকে পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত করা হয়। একই সঙ্গে অভিযোগের বিষয়টি তদন্তে মাধবপুর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রাফিউর রহমানকে প্রধান করে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। পাঁচ দিনের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।
একটি সূত্র জানায়, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওটি চলতি বছরের মার্চ মাসে ধারণ করা। এতে মামলা সংক্রান্ত বিষয়ে এক ব্যক্তির কাছ থেকে এএসআই অতনু বণিক টাকা নিচ্ছেন- এমন দৃশ্য দেখা যায়। টাকা চাওয়া ও হস্তান্তরের দৃশ্য গোপনে ধারণ করে পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া হলে ভিডিওটি দ্রুত ভাইরাল হয়ে যায়।
ভিডিওটি পুলিশ সুপারের নজরে আসার পর বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্তের উদ্যোগ নেওয়া হয়। এরই অংশ হিসেবে এএসআই অতনু বণিককে থানা থেকে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত করা হয়েছে।
হবিগঞ্জের পুলিশ সুপার তারেক মাহমুদ জানান, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিডিওটি ভাইরাল হওয়ার পর বিষয়টি তাঁর নজরে এসেছে। অভিযোগের সত্যতা যাচাই করতে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্তে ভিডিওটির সত্যতা, ঘটনার প্রকৃত কারণ এবং এএসআই অতনু বণিকের ভূমিকা খতিয়ে দেখা হবে। অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে বিধি অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এদিকে, গতকাল ৫ অক্টোবর একই থানার আরেক এএসআই ইলিয়াস হোসেনের বিরুদ্ধে ঘুষ গ্রহণ সংক্রান্ত বক্তব্যের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়। ওই ঘটনার পর তাকেও পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত করা হয়েছে এবং বিষয়টি তদন্তে কমিটি গঠন করা হয়েছে।


