শিক্ষা

চুনারুঘাটে শিক্ষা ও সংস্কৃতি চর্চায় এগিয়ে পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়

চুনারুঘাটে শিক্ষা ও সংস্কৃতি চর্চায় এগিয়ে পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়

চুনারুঘাট প্রতিনিধিঃ চুনারুঘাট উপজেলার নারী শিক্ষার প্রসার ও সাংস্কৃতিক বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছে চুনারুঘাট পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়।

লেখাপড়ার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের সাংস্কৃতিক, সৃজনশীল ও মানবিক গুণাবলি বিকাশে নিয়মিত বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে প্রতিষ্ঠানটি।

শুধু পাঠ্যবইনির্ভর শিক্ষা নয়, শিক্ষার্থীদের মধ্যে দেশপ্রেম, নৈতিকতা, শৃঙ্খলা ও নেতৃত্বের গুণাবলি গড়ে তুলতে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ নানা উদ্যোগ নিয়ে থাকে।

জাতীয় ও স্থানীয় বিভিন্ন দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, বিতর্ক, রচনা ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতাসহ নানা কর্মসূচিতে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণের সুযোগ দেওয়া হয়।

বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডেও রয়েছে উল্লেখযোগ্য আগ্রহ।

গান, আবৃত্তি, নৃত্য, অভিনয় ও অন্যান্য সৃজনশীল কর্মকাণ্ডে নিয়মিত অংশ নেয় তারা। বিভিন্ন অনুষ্ঠান ও প্রতিযোগিতায় বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ প্রতিষ্ঠানটির সাংস্কৃতিক চর্চাকে আরও সমৃদ্ধ করেছে।

শিক্ষার ক্ষেত্রেও বিদ্যালয়টি ধারাবাহিকভাবে শিক্ষার্থীদের ভালো ফলাফল অর্জনে উৎসাহিত করে আসছে।

শ্রেণিকক্ষে পাঠদানের পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের মেধা ও দক্ষতা বিকাশে সহশিক্ষা কার্যক্রমকে গুরুত্ব দেওয়া হয়।

শিক্ষকরা শিক্ষার্থীদের শুধু পরীক্ষায় ভালো ফল করার জন্য নয়, ভবিষ্যতে দায়িত্বশীল ও মানবিক নাগরিক হিসেবে গড়ে ওঠার জন্যও উৎসাহিত করেন।

স্থানীয় অভিভাবকদের মতে, চুনারুঘাটের মেয়েদের শিক্ষায় বিদ্যালয়টির ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে একটি মেয়ের শিক্ষাজীবনের পাশাপাশি তার আত্মবিশ্বাস, সৃজনশীলতা ও সামাজিক মূল্যবোধ তৈরিতে সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড কার্যকর ভূমিকা রাখছে।

বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের ভাষ্য, বর্তমান সময়ে শিক্ষার উদ্দেশ্য শুধু ভালো ফলাফল অর্জন নয়। একজন শিক্ষার্থীকে জ্ঞানার্জনের পাশাপাশি সংস্কৃতিমনা, মানবিক ও দায়িত্বশীল মানুষ হিসেবে গড়ে তোলাও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের দায়িত্ব। সে লক্ষ্যেই নিয়মিত শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।

চুনারুঘাটের শিক্ষা ও সংস্কৃতির পরিমণ্ডলে পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের এই কার্যক্রম ইতিবাচক ভূমিকা রাখছে বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা।

ভবিষ্যতে আরও বৃহৎ পরিসরে সাংস্কৃতিক ও সৃজনশীল কার্যক্রম পরিচালনার মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি এলাকার নারী শিক্ষার অগ্রযাত্রায় আরও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে—এমন প্রত্যাশা স্থানীয়দের।