ছাত্রদল নেতা মামুনের উদ্যোগে পুরোনো বাজার পুনর্গঠনের উদ্যোগ

নিউজ ডেস্ক : চুনারুঘাট উপজেলার মিরাশী ইউনিয়নের একডালা গ্রামে দীর্ঘ ৩০/৩২ বছর ধরে পরিত্যক্ত অবস্থায় থাকা একটি পুরোনো বাজার পুনর্গঠনের উদ্যোগ নিয়েছেন ইউনিয়ন ছাত্রদলের সহ-সভাপতি ছাত্রনেতা জাহিরুল ইসলাম মামুন। তাঁর এ উদ্যোগে সাড়া দিয়েছেন আশপাশের সাত থেকে আটটি গ্রামের মানুষ।

জানা যায়, মিরাশী ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের একডালা গ্রামে অবস্থিত বাজারটি সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান মরহুম চুনু চৌধুরীর নামে পরিচিত। দীর্ঘদিন ধরে বাজারটি পরিত্যক্ত থাকায় স্থানীয় বাসিন্দাদের নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য কেনাকাটা ও কৃষিপণ্য বিক্রিতে নানা অসুবিধার সম্মুখীন হতে হচ্ছে।

সম্প্রতি ছাত্রনেতা জাহিরুল ইসলাম মামুন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বাজারটি পুনর্গঠনের পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন। বিষয়টি চুনারুঘাট নিউজ২৪ ডটকমের নজরে আসে। তাঁর উদ্যোগের বিষয়ে তিনি জানান, বাজারটি পুনরায় চালু করতে শিগগিরই স্থানীয়দের সঙ্গে সমন্বয় করে একটি পুনর্গঠন কমিটি গঠন করা হবে। এরপর বাজারটি পুনরায় চালুর লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক কার্যক্রম সম্পন্ন করা হবে।

তিনি আরও জানান, বাজারটি ভূমি লিজের আওতাভুক্ত হলেও বর্তমানে লিজমুক্ত রয়েছে বলে তাঁরা জানতে পেরেছেন। এ অবস্থায় প্রশাসনের কাছ থেকে প্রয়োজনীয় লিজ ও অনুমতি পাওয়ার বিষয়ে আশাবাদী তাঁরা।

স্থানীয়দের মতে, বাজারটি পুনর্গঠিত হলে আশপাশের কয়েকটি গ্রামের মানুষের দীর্ঘদিনের ভোগান্তি কমবে। বিশেষ করে প্রান্তিক ও নিম্ন আয়ের কৃষকেরা তাঁদের উৎপাদিত শাকসবজি ও অন্যান্য কৃষিপণ্য সহজেই বাজারে বিক্রি করার সুযোগ পাবেন। এতে তাঁদের সময় ও যাতায়াত খরচও কমতে পারে।

এ ছাড়া বাজারের পাশে রয়েছে একডালা উচ্চ বিদ্যালয় ও একডালা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। বাজারটি চালু হলে শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও স্থানীয় বাসিন্দাদের প্রয়োজনীয় শিক্ষা উপকরণসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য কেনাকাটা সহজ হবে বলে মনে করছেন এলাকাবাসী।

স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা জানান, প্রয়োজনীয় সদাই-পাতি কেনার জন্য তাঁদের অনেক দূরে যেতে হয়। পুরোনো বাজারটি পুনরায় চালু হলে হাতের কাছেই প্রয়োজনীয় পণ্য কেনার সুযোগ তৈরি হবে।

বাজারটি পুনর্গঠনের উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন এলাকাবাসী। তাঁদের প্রত্যাশা, সংশ্লিষ্ট প্রশাসন প্রয়োজনীয় বিষয়গুলো যাচাই করে অনুমতি প্রদানের ব্যবস্থা করলে দীর্ঘদিনের পরিত্যক্ত বাজারটি আবারও প্রাণ ফিরে পাবে এবং স্থানীয় মানুষের আর্থসামাজিক উন্নয়নে ভূমিকা রাখবে।