স্টাফ রিপোর্টার: আজকের শিশুরাই আগামী দিনের ভবিষ্যৎ। তবে শৈশবেই যদি তাদের ওপর অতিরিক্ত সময় ও কাজের চাপ সৃষ্টি করা হয়, তাহলে তা তাদের স্বাভাবিক বিকাশে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করেন শিক্ষাবিদরা।
এ বিষয়ে পাইকপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ফখরুল ইসলাম তার ব্যক্তিগত ফেইসবুক পোস্টে বলেন, “আপনি বিশ্বাস করুন বা না করুন, সকাল ৯টায় স্কুলে আসতে গিয়ে অনেক শিক্ষার্থী বাড়ি থেকে নাশতা বা খাবার খেয়ে আসতে পারে না। মক্তব শেষ হয় সকাল ৮টা ৩০ মিনিটে, আর স্কুল শুরু হয় সকাল ৯টায়। এই অল্প সময়ে মক্তব থেকে বাড়ি ফেরা, গোসল করা, খাবার খাওয়া এবং স্কুলে পৌঁছানো অনেক শিশুর জন্য প্রায় অসম্ভব।”
তিনি আরও বলেন, “এই বাস্তবতার কারণে অনেক শিক্ষার্থী সকালে না খেয়েই স্কুলে আসে। ফলে মাঝে মধ্যেই সমাবেশে দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থায় শিক্ষার্থীরা মাথা ঘুরে পড়ে যায়। বিষয়টি সরেজমিনে কয়েকদিন পর্যবেক্ষণ করলেই এর সত্যতা পাওয়া যাবে।”
ফখরুল ইসলামের মতে, কোমলমতি শিশুদের শারীরিক ও মানসিক সুস্থতার কথা বিবেচনা করে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শ্রেণি কার্যক্রম সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত নির্ধারণ করা যেতে পারে।
একজন অভিবাবকের সাথে কথা বল্লে তিনি জানান আমরা মুসলমান আমাদের ধর্মীয় শিক্ষা দিতে ব্যর্থ হওয়ায় দিন দিন সমাজে অন্যায় অনিয়ম বাড়ছে। সকালের মক্তবের শিক্ষাটার প্রতি সরকার বিবেচনা করে স্কুল টাইম সকাল ১০ টা হতে ৩টা পর্যন্ত করলে খুব ভাল হয়।
তিনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি শিশুদের কল্যাণ ও সকালের মক্তব পড়ার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনার আহ্বান জানান।



