২৭শে মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

চুনারুঘাট উপজেলা

বিজিবি-বিএসএফ ও খোয়াই পুলিশের চমৎকার সমন্বয়….খোয়াই নদীতে ভেসে আসা ভারতীয় গাভী ফেরত

বিজিবি-বিএসএফ ও খোয়াই পুলিশের চমৎকার সমন্বয়….খোয়াই নদীতে ভেসে আসা ভারতীয় গাভী ফেরত Screenshot

আব্দুর রাজ্জাক রাজু,চুনারুঘাটঃচুনারুঘাট সীমান্তের খোয়াই নদীর পানিতে ভেসে আসছিল মুল্যবান গাভী।খবর পেয়ে ভারতের ত্রিপুরার খোয়াই থানার ওসি কৃষ্ণ ধন সরকার তাৎক্ষণিক ভারতীয় বিএসএফ কে বিষয় টি অবগত করেন।ভারতের বিএসএফ বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ বিজিবি কে তাৎক্ষণিক বিষয়টি জানায়।হবিগঞ্জ ৫৫ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল তানজিলুর রহমান গুরুত্ব দিয়ে গরুটি উদ্ধার করেন।

(মঙ্গলবার) সকালে খোয়াই নদীতে একটি গবাদি পশু ভাসমান অবস্থায় বাংলাদেশের দিকে ভেসে যেতে দেখেন স্থানীয়রা।ঘটনার খবর পাওয়া মাত্রই খোয়াই থানার পুলিশ তৎপর হয়ে ওঠে এবং বিষয়টি অনতিবিলম্বে বিএসএফ এর কমান্ডেন্ট সূর‍্যভান সিংহ কে জানানো হয়। পরিস্থিতির সংবেদনশীলতা বুঝে বিএসএফ কমান্ডেন্ট বিন্দুমাত্র সময় নষ্ট না করে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)-এর উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের সাথে জরুরি যোগাযোগ স্থাপন করেন। খোয়াই থানার পুলিশ ও বিএসএফ-এর এই যৌথ ও তড়িৎ পদক্ষেপ এবং সীমান্তে বিজিবি-র আন্তরিক সহযোগিতার ফলে শেষ পর্যন্ত খোয়াই নদীতে ভাসমান অবস্থাতেই গবাদি পশুটিকে নিরাপদে উদ্ধার করা সম্ভব হয়। পরবর্তীতে আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে উদ্ধার হওয়া গবাদি পশুটি তার প্রকৃত মালিকের হাতে তুলে দেয় খোয়াই পুলিশ প্রশাসন। সাধের গবাদি পশুটি ফিরে পেয়ে মালিকের চোখেমুখে এখন স্বস্তির আনন্দ।

উল্লেখ্য, গত কয়েকদিন আগেই খোয়াই নদীপথ ব্যবহার করে বাংলাদেশে পাচার করে দেওয়া একটি দামী পালসার মোটরবাইক খোয়াই থানার ওসি কৃষ্ণধন সরকার, বিএসএফ এবং বিজিবি-র যৌথ প্রয়াসে একইভাবে উদ্ধার করে ফেরত দেয়া হয়। সেই ঘটনার কয়েকদিনের মাথায় পুনরায় একই কায়দায় চোরাই গবাদি পশু উদ্ধারের ঘটনায় খোয়াই পুলিশ, বিএসএফ-বিজিবি এর কর্মদক্ষতা আরও একবার প্রমাণিত হলো। স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, সীমান্ত কাঁটাতারের ওপার থেকে বিজিবি-র এই ধরণের দ্রুত ও ইতিবাচক সাড়া দেওয়া এবং খোয়াই পুলিশ, বিএসএফ-বিজিবি এর এই আন্তর্জাতিক সমন্বয় দুই প্রতিবেশী দেশের মধ্যকার সৌহার্দ্যপূর্ণ ও মজবুত কূটনৈতিক সম্পর্কেরই এক উজ্জ্বল ইঙ্গিতবহ।